নিজেরাই প্রশিক্ষন দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ কর্মী নেবে জাপান
জাপানে কাজের ভিসা পেতে যা জানার দরকার
জাপানে কাজের ভিসা পেতে হলে প্রথমে আপনাকে একটি জাপানি কোম্পানিতে চাকরি পেতে হবে। এরপর সেই কোম্পানি আপনার ভিসার জন্য আবেদন করবে। পুরো প্রক্রিয়াটি কিছুটা জটিল মনে হলেও ধাপে ধাপে করলে সহজেই সম্পন্ন করা যায়।
মূল যোগ্যতা:
- ডিগ্রি ও অভিজ্ঞতা: সাধারণত ব্যাচেলর ডিগ্রি এবং ৩-৫ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
- ভাষাজ্ঞান: জাপানিজ ভাষা জানলে সুযোগ বাড়ে, JLPT পরীক্ষা দেওয়া যেতে পারে।
কাজের ভিসার ধরণ:
- Engineer/Specialist in Humanities: আইটি, ইঞ্জিনিয়ারিং, আইন, অর্থনীতি, শিক্ষা ইত্যাদি পেশার জন্য।
- Intra-company Transferee: কোনো কোম্পানির বিদেশি অফিস থেকে জাপানের অফিসে বদলি হওয়া কর্মীদের জন্য।
- Skilled Labor: রাঁধুনি, কারিগর, খেলাধুলা প্রশিক্ষক ইত্যাদি বিশেষ দক্ষতা সম্পন্ন পেশার জন্য।
চাকরির অফার:
- চাকরির অফার লেটারে পদবী, বেতন, কাজের স্থান, সময় উল্লেখ থাকতে হবে।
- চুক্তিপত্র সই করা থাকতে হবে।
- কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন প্রমাণপত্র থাকতে হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া:
- জাপানি কোম্পানি থেকে চাকরি পেয়ে COE (Certificate of Eligibility) সংগ্রহ করতে হবে।
- প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (পাসপোর্ট, ছবি, সিভি, শিক্ষাগত যোগ্যতা, চাকরির চুক্তি) জমা দিতে হবে।
- জাপানি দূতাবাসে আবেদন ফর্ম জমা দিয়ে ফি দিতে হবে।
- প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ১ থেকে ৩ মাস সময় লাগে।
জাপানে পৌঁছানোর পর:
- Residence Card সংগ্রহ করতে হবে।
- ঠিকানা রেজিস্ট্রেশন: নতুন ঠিকানায় ১৪ দিনের মধ্যে স্থানীয় অফিসে গিয়ে ঠিকানা রেজিস্টার করতে হবে।
- স্বাস্থ্য বীমা: জাতীয় স্বাস্থ্য বীমা বা চাকরিজীবী বীমায় নাম লেখাতে হবে।
নবায়ন (Renewal):
- একই কোম্পানিতে কাজ চললে ভিসা নবায়ন করা যায়।
- আবেদন করার সময় ভিসা মেয়াদ শেষ না হওয়া জরুরি।
- প্রয়োজনীয় কাগজ: বর্তমান ভিসা, রেসিডেন্স কার্ড, চাকরির চিঠি, ইনকাম প্রমাণ ইত্যাদি।
সাধারণ চ্যালেঞ্জ:
- কাগজপত্রে ভুল হলে দেরি হয়।
- ভাষা না জানলে সমস্যা হতে পারে।
- জাপানি সংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সময় লাগে।
সারাংশ:
জাপানে কাজের ভিসা পাওয়া একটু সময়সাপেক্ষ হলেও সঠিক প্রস্তুতি নিলে সহজ হয়। ধাপে ধাপে আবেদন করুন, কাগজপত্র ঠিক রাখুন, এবং ধৈর্য ধরুন।
Views 171 times